Recent Posts

Posted in religion

যাদের জন্য নবী করীম (সা.) কিয়ামতের দিন সুপারিশ করবেন

ইস’লাম ডেস্ক- কিয়ামতের কঠিন দিনে মানুষ অস্থির হয়ে উঠবে। দিশেহারা পাখির মতো ছোটাছুটি করবে একটু সুপারিশের আশায়। লোকজন বলতে থাকবে আল্লাহ যেন আমাদের বিচার শুরু করেন। হাশরের এ কঠিন মাঠ আর সহ্য করতে পারছি না।

বিচার শেষে তিনি যা ফায়সালা করবেন, আম’রা তাই মেনে নিব। কিয়ামতের বিচার শুরু হওয়ার পর যখন আমাদের ডাক পড়বে, তখন প্রতিটি মানুষকে নিয়ে একা আল্লাহ তায়ালার সামনে দাঁড় করানো হবে।

সেদিন আল্লাহ তায়ালা প্রত্যেকের সঙ্গে সরাসরি কথা বলবেন। তাঁর এবং আমাদের মাঝে কোনো অনুবাদক, পির, নবী, ওলি- কেউ থাকবে না। তারপর তিনি আমাদের বিচার শুরু করবেন। সারাজীবন আম’রা যত খা’রাপ কাজ করেছি, সেগুলোর জন্য জবাব চাইবেন, তাঁর অসীম অনুগ্রহে হয়ত ক্ষমা করে দেবেন। আর যত ভালো কাজ করেছি, সেগুলো তিনি আমাদেরকে দেখাবেন।

কিয়ামত হচ্ছে আমাদের সব পাপের ফয়সালা করে, আমাদেরকে পবিত্র করে জান্নাতের জন্য তৈরি করার জায়গা। জান্নাত পবিত্র মানুষদের জায়গা। সেখানে অ’পবিত্রদের প্রবেশ করতে দেয়া হবে না।

যারা কিয়ামতের বিচারে পাশ করে আল্লাহর তায়ালার অনুগ্রহে পবিত্র হয়ে জান্নাতে যেতে পারবেন, তাদের জন্য বিরাট সুখবর! আর যাদের এত পাপ জমে থাকবে যে, বিচার শেষেও তাদের পাপের পাল্লা ভারি থাকবে, তাদের পরিণতি হবে জাহান্নাম। (সূরা আল-ক্বারিয়াহ)

হযরত আবু হোরায়রা (রা.) বর্ণনা করেন, আমি এক দাওয়াতে নবী করীম (সা.)-এর সাথে ছিলাম। তিনি এরশাদ করেন, আমি কিয়ামতের দিন সকলের সর্দার হব। সে কঠিন দিনে ক’ষ্ট সাইতে না পেরে মানুষ অস্থির হয়ে যাবে এবং কার দ্বারা সুপারিশ করলে আল্লাহ্ কবুল করবেন সে রূপ লোক তালা’শ করতে থাকবে।

অ’তপর অন্যান্য নবীগণের নিকট হতে ব্যর্থ হয়ে সর্বশেষে সমস্ত লোক হুজুর (সা.)-এর কাছে এসে বলবে আপনি সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ নবী, আমাদের ক’ষ্ট তো আপনি দেখেছেন, এখন দরবারে এলাহীতে আমাদের জন্য সুপারিশ করুন যাতে আমাদেরকে পরিত্রাণ দেয়া হয়।

নবীজী (সা.) বলেন, আমি তখন আল্লাহ্র আরশের নিচে এসে সিজদায় পড়ে কা’ন্নাকাটি করতে থাকব। অ’তপর আল্লাহ্ও তরফ থেকে বলা হবে, আপনি মাথা উঠান এবং ফরিয়াদ পেশ করুন। আপনার ফরিয়াদ কবুল করা হবে।

হুজুর (সা.) তখন মাথা উঠাবেন এবং বলবেন, হে প্রভু! তুমি আমা’র উম্মতগণকে ক্ষমা কর। আল্লাহ্ তায়ালা বলবেন, হে আমা’র প্রিয় নবী! আমা’র বেগোনাহ বান্দাদেরকে বেহেশতের ডান দিকের দরজা দিয়ে প্রবেশ করান। এতদ্ব্যতীত অন্য দরজা দিয়েও ইচ্ছে করলে ঢুকাতে পারেন। সে বিচারে একমাত্র যিনি সুপারিশ করতে পারবেন তিনি আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মাদ (সা.)।

হযরত আউফ বি মালেক (রা.) থেকে বর্ণিত রয়েছে, নবী করীম (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘আমা’র কাছে আল্লাহ তা’য়ালার কাছে থেকে এক দূত এসে জানালেন যে, আল্লাহ তা’য়ালা আমাকে দুটি প্রস্তাব দিয়ে পাঠিয়েছেন। এ দুটির মধ্যে থেকে যেকোনো একটি গ্রহণ করতে হবে। প্রস্তাব দুটি হলো আমা’র অর্ধেক উম্মতকে বিনা হিসেবে বেহেশতে দেয়া হবে অথবা আমি যেকোনো উম্মতের জন্য আমা’র ইচ্ছেমত সুপারিশ করতে পারব। আমি সুপারিশ করার ক্ষমতাটাকেই গ্রহণ করেছি। কাজেই অমি মুশরিক ব্যতীত সকলের জন্য শাফায়াত করব।

হযরত আবু হোরায়রা (রা.) বলেন যে, নবী করীম (সা.) ইরশাদ করেন, আল্লাহ তা’য়ালা সকল নবীগণকেই একটি বিশেষ ক্ষামতা দিয়েছেন। তা এটাই যে, তাঁদের একটি দোয়া অবশ্যই কবুল করা হবে। সকল নবীই প্রয়োজন মোতাবেক এক একটি জিনিস চেয়ে নিয়েছেন এবং তারা সকলেই পার্থিব জিনিস চেয়েছেন। কিন্তু আমাদের নবীজী এরশাদ করেছেন, ‘আমি এ সুযোগ পৃথিবীতে গ্রহণ করিনি। রোজ হাশরে আমি আমা’র প্রাপ্য আদায় করব এবং তা হবে আমা’র উম্মতের নাজাতের জন্য সুপারিশ করা।’

১। হাশরের ময়দানে মানুষ অ’তিষ্ঠ হয়ে অ’তি শিগগিরই হিসাব-নিকাশের কাজ শুরু করার জন্য সকল নবীগণের কাছে যেতে শুরু করবে। কিন্তু সকলেই অ’পরাগতা প্রকাশ করার পর বিশ্বনবী হযরত মুহাম্ম’দ (সা.) কাছে উপস্থিত হবে এবং তিনি পৃথিবীর সমস্ত মানবজাতির জন্য সুপারিশ করবেন।

২। দ্বিতীয় সুপারিশ হবে প্রথম দরজার মু’মিনগণকে হিসাব-নিকাশ ছাড়াই বেহেশতে যাওয়ার অনুমতি দেয়ার জন্য। এটাও শেষ নবীই (সা.) করবেন।

৩। তৃতীয় সুপারিশ হবে যারা স্বীয় অ’পকর্মের জন্য জাহান্নামে যাওয়ার উপযুক্ত হয়ে পড়েছে তাদেরকে ক্ষামা করে দেয়ার জন্য। এ সুপারিশ নবীজী করবেন। এতদ্ব্যতীত ওলামা, শুহাদা এবং অন্যান্য মু’মুমিনগণও করবেন।

৪। চতুর্থ সুপারিশ হবে ঐ সকল গোনাহগারদের জন্য যাদেরকে জাহান্নামে দাখিল করা হয়েছে তাদেরকে জাহান্নামের আ’গুন থেকে মুক্তি দেয়ার জন্য আরজ পেশ করা হবে। আম্বিয়ায়ে কেরাম এবং ফেরেশতাগণ এজন্য সুপারিশ করবেন।

৫। পঞ্চম সুপারিশ করা হবে যাদেরকে বেহেশতে দাখিল করা হয়েছে তাদের ম’র্যাদা আরও বাড়িয়ে দেয়ার জন্য।

Posted in lifestyle

শ্যাম্পুর সঙ্গে চিনি মেশান, এরপর মুহূর্তেই চমক !

চিনি এই দ্রব্যটি স’ম্পর্কে কারোরই অজানা নয়। দৈনন্দিন জীবনে চিনি রান্নার কাজে লাগে। বিশেষত মিষ্টি বানানোর জন্য চিনি একটি মুখ্য উপাদান। চিনি দিয়ে তৈরি হওয়া খাবারগু’লি খেতে সুস্বাদু হলেও খাবারগু’লি শরীরের পক্ষে ক্ষতিকারক। অ’ত্যাধিক পরিমানে মিষ্টি জাতীয় জিনিস খেলে বিভিন্ন ধরণের রোগ হতে পারে, যেমন- ডায়বেটিস, সুগার ইত্যাদি।

কিন্তু এক বিশেষজ্ঞ পরীক্ষা করে দেখেছেন, চিনি শরীরের জন্য ক্ষতিকারক হলেও এটি চুলের সৌন্দর্য বাড়ানোর জন্য অনেক সাহায্য করে। ব্রিটেনের বিখ্যাত চর্ম’রোগ বিশেষজজ্ঞ ডা. ফ্রান্সেসকা ফুসকো ওয়েক্সলার বলেন যে, শ্যাম্পু করার সময় যদি শ্যাম্পুর সাথে চিনি মিশিয়ে ব্যবহার করা যায় তাহলে চুল খুব মজবুত, ঘন ও পরিষ্কার থাকবে। ফলে চুল আগের থেকে বেশি শাইনি এবং দেখতে সুন্দর লাগবে। সাধারণ শ্যাম্পু ব্যবহার করার পর দেখবেন চুলে কোনো শাইনি ভাব আসবে না। যদি চিনি মিশিয়ে শ্যাম্পু ব্যবহার করেন তাহলে দেখতে পারবেন চুল সুন্দর, পরিষ্কার এবং আদ্রতা সম্পন্ন হয়ে গেছে।

চুলের গ্রোথ কিভাবে বৃদ্ধি হবে তা নিয়ে আরও অনেক বিশেষজ্ঞ পরীক্ষা করেছেন। এই বিষয়ে আর এক বিশেষজ্ঞ মা’রি ক্লেয়ার বলেছেন, যদি নিয়মিত শ্যাম্পুর সাথে চায়ের চামচের মতো এক চামচ চিনি মিশিয়ে তা যদি মাথায় ধীরে ধীরে ম্যাসাজ করা যায় তাহলে মাথার থেকে খুশকি দূর হয়ে যাবে।

চিনি এমন একটি উপাদান যার নেগেটিভ দিক ও পজিটিভ দিক ২টই আছে। শুধুমাত্র মিষ্টি বানানো আর চুলের গ্রোথ বৃদ্ধির জন্যই এই উপাদানটি প্রয়োজন হয়না। এই উপাদানটি ত্বকের নানা রকমের সমস্যার সমাধান করতেও সাহায্য করে। নিয়মিত যদি চিনি দিয়ে মুখে ম্যাসাজ করতে পারেন তাহলে ডার্ক সার্কেল, কালো স্পট,ওপেন স্পোরস ইত্যাদি সমস্যা মিটে যাবে।

এই হল চিনির উপকারিতা আপনারা অবশ্যই এই টিপসগু’লি পালন করুন কদিনের মধ্যেই দেখতে পারবেন চুল এবং ত্বক উভয়েরই অনেক পরিবর্তন হয়েছে।

Posted in health

হালকা গরম পানি পানের ৭ উপকারিতা

হ’জমে সমস্যা, কোষ্ঠকাঠিন্য, বাড়তি ওজন- এমনই অনেক সমস্যায় ভুগে থাকেন অনেকেই। এর সবচেয়ে সহ’জ সমাধান কী’ জানেন? মাত্র কয়েক গ্লাস হালকা গরম পানি। আপনি যদি প্রতিদিন কয়েক গ্লাস হালকা গরম পানি খান তবে অনেকগুলো স্বাস্থ্য সমস্যা থেকে মুক্তি মিলবে। চলুন জেনে নেই হালকা গরম পানি পানের ৭ উপকারিতা-

খেতে বসে পানি পানের অভ্যাস থাকে অনেকেরই। এতে খাবারের সঙ্গে পাচক রস ঠিকভাবে মিশতে পারে না। ফলে হ’জমের নানা সমস্যা দেখা দেয়। খাবার খাওয়ার ৩০ মিনিট আগে বা পরে যদি এক গ্লাস হালকা গরম পানি খাওয়া যায়, তাহলে অ্যাসিডিটি, বদহ’জমের মতো একাধিক সমস্যা থেকে সহ’জেই মুক্তি পাওয়া সম্ভব। হালকা গরম পানি খাবার দ্রুত হ’জমেও সাহায্য করে।

কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা থাকলে সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে এক গ্লাস হালকা গরম পানি খেলে পেট সহ’জেই পরিষ্কার হয়ে যাবে।

হালকা গরম পানি খেলে শরীরের ভেতরের তাপমাত্রাটা সামান্য হলেও বৃদ্ধি পায় এবং ঘাম হয় বেশি। অ’তিরিক্ত ঘাম হওয়ার ফলে শরীরে জমে থাকা অ’প্রয়োজনীয় উপাদান ঘামের সঙ্গে বাইরে বেরিয়ে যায়। এতে শরীর দ্রুত ডিট’ক্স হয়ে যায়।

দ্রুত মেদ ঝরাতে হালকা গরম পানি অ’ত্যন্ত কার্যকরী। হালকা গরম পানি খেলে শরীরের মেটাবলিক রেট বাড়ে এবং সহ’জেই অনেকটা ক্যালোরি পোড়ে। এটি ক্ষুধা বোধ কমিয়ে ওজন কমাতেও সাহায্য করে। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে হালকা গরম পানির সঙ্গে পাতিলেবুর রস মিশিয়ে খেতে পারলে মেদ ঝরবে দ্রুত।

প্রতিদিন সকালে খালি পেটে হালকা গরম পানি খেলে শরীরের ট’ক্সিক উপাদানগুলো সহ’জেই বাইরে বেরিয়ে যাবে। শুধু তাই নয়, বাড়বে শরীরের আভ্যন্তরীণ তাপমাত্রাও। শরীরের তাপমাত্রা বাড়লে শিরা, ধমনীতে র’ক্তচলাচলের গতিও স্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পায়।

বাতের ব্যথা থেকে মুক্তি পেতে খান এক গ্লাস হালকা গরম পানি। হালকা গরম পানি শরীরের সক্ত সঞ্চালন বাড়বে, শরীরে জমে থাকা অ’প্রয়োজনীয় উপাদান ঘামের সঙ্গে বাইরে বেরিয়ে যাবে। ফলে ব্যথাবোধও ক্রমশ কমে আসবে।

প্রতিদিন সকালে খাবার খাওয়ার ৩০ মিনিট আগে বা পরে এক গ্লাস হালকা গরম পানি খেলে বদহ’জম, গ্যাস্ট্রিকের মতো একাধিক সমস্যা থেকে সহ’জেই মুক্তি পাওয়া সম্ভব। এতে ত্বকে জমাট বাধা তেল, ধুলোবালি থেকে সহ’জেই মুক্তি পাওয়া যায়। পেট পরিষ্কার থাকলে ব্রণ-ফুসকুড়ির সমস্যা থেকেও সহ’জেই দূরে থাকা যায়।

Posted in religion

জেনে নিন, স্বামীর নিকট স্ত্রীর হক

ইস’লাম মহান রাব্বুল আলামিন আল্লাহর মনোনীত একটি পূর্ণাঙ্গ জীবন বিধান। একজন স্ত্রী’ যেমন স্বামী ছাড়া পরিপূর্ণ নয় তেমনি একজন স্বামীও স্ত্রী’ ছাড়া পরিপূর্ণ নয়। সৃষ্টিগতভাবেই মহান আল্লাহ এই স’ম্পর্কটাকে একে অ’পরের সহায়ক এবং পরিপূরক হিসেবে সৃষ্টি করেছেন । নবী কারীম (সা.) বলেছেন, ‘নারীরা পুরুষের অর্ধাংশ’। (আবু দাউদ, তিরমিযী)

শুধু হ’জরত আদম (আ.) দ্বারা এই পৃথিবী কখনোই পরিপূর্ণতা লাভ করত না আর তাই হাওয়ার (আ.) এর আগমন ঘটিয়েছিলেন মহান আল্লাহ পাক। একজন স্ত্রী’র নিকটে স্বামীর যেমন কিছু হক বা অধিকার রয়েছে, তেমনি একজন স্বামীর নিকটেও স্ত্রী’র কিছু হক বা অধিকার রয়েছে ।

মহান আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কোরআন মাজীদে বলেন, ‘পুরুষগণ নারীদের প্রতি দায়িত্বশীল, যেহেতু আল্লাহ একের ওপর অন্যকে প্রাধান্য দিয়েছেন এবং তারা তাদের সম্পদ হতে ব্যয়ও করে।’ (সূরা: নিসা, আয়াত: ৩৪)

সূরা নিসার যে আয়াতটি বিবাহের খোতবায় তেলাওয়াত করা হয়, সে আয়াতে মহান আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, দেখ! তুমি ও তোমা’র স্ত্রী’র মাঝে জন্মগতভাবে কোনো পার্থক্য নেই। আল্লাহ্পাক হাওয়া (আ.)- কে হ’জরত আদম (আ.) এর বুকের বাম পাশের হাড় থেকে সৃষ্টি করেছেন। তাই বলা হয় নারী পুরুষেরই অংশ। তোমা’র শরীরের যেকোনো স্থানে আ’ঘাত লাগলে তুমি ক’ষ্ট পাও। আ’ঘাত যেন না লাগে, সে ব্যবস্থা কর।

সে কারণে তোমা’র স্ত্রী’র প্রতিও লক্ষ রাখবে, সে-ও তোমা’র শরীরের একটি অংশ। ইজাব কবুলের মাধ্যমে সে তোমা’র কাছে এসেছে, তুমি তোমা’র শরীরের সঙ্গে যেমন ব্যবহার কর, স্ত্রী’র সঙ্গেও সেরূপ ব্যবহার কর। তুমি স্ত্রী’র কাছ থেকে যেমন মহব্বতপূর্ণ মুলায়েম ও ভক্তিপূর্ণ কথা আশা কর, স্ত্রী’র সঙ্গে তুমিও এমন কথা বল যেন তোমা’র কথা থেকে মহব্বত ও ভালোবাসা ঝরে পড়ে।

মহান আল্লাহ পাক বলেন, ‘তোম’রা তাদের (স্ত্রী’দের) সঙ্গে উত্তম আচরণ করো। আর যদি তাকে তোমা’র অ’পছন্দও হয়, তবুও তুমি যা অ’পছন্দ করছ হয়তো আল্লাহ তাতে সীমাহীন কল্যাণ দিয়ে দেবেন।’ (সূরা: নিসা, আয়াত: ১৯)

রাসূলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, ‘কোনো মুমিন পুরুষ মুমিন নারীর ওপর রাগান্বিত হবে না। কেননা যদি তার কোনো কাজ খা’রাপ মনে হয়, তাহলে তার এমন গুণও থাকবে, যার জন্য সে তার ওপর সন্তুষ্ট হতে পারবে’। (সহিহ মু’সলিম, হাদিস: ১৪৬৯)

অন্য আরেক হাদিসে এসেছে যে, ‘তোমাদের মধ্যে সর্বাধিক ভালো মানুষ তারাই, যারা তাদের স্ত্রী’দের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করে।’ (সুনানে তিরমিজি, হাদিস: ১১৬২)

রাসূলুল্লাহ (সা.) পুরুষদের নির্দেশ দিয়েছেন যে, ‘তুমি যখন খাবে, তাকেও খাওয়াবে এবং তুমি যখন পরিধান করবে, তাকেও পরাবে। তার চেহারায় কখনো প্রহার করবে না। তার সঙ্গে অসদাচরণ করবে না।’ (আবু দাউদ, হাদিস: ২১৪২; মু’সনাদে আহম’দ, হাদিস: ১৮৫০১)

স্ত্রী’র প্রতি স্বামীর কর্তব্য: সুখকর দাম্পত্য জীবন, সুশৃঙ্খল পরিবার, পরার্থপরতায় ঋদ্ধ ও সমৃদ্ধ স্বামী-স্ত্রী’র বন্ধন অটুট রাখার স্বার্থে ইস’লাম জীবন সঙ্গী স্বামীর ওপর কতিপয় অধিকার আরোপ করেছে। গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি এখানে প্রদত্ত হলো।

(১) দেনমোহর পরিশোধ: নারীর দেনমোহর পরিশোধ করা ফরজ। এ হক তার নিজের, পিতা-মাতা কিংবা অন্য কারো নয়। আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুরআন মাজীদে বলেন, ‘তোম’রা প্রফুল্ল চিত্তে স্ত্রী’দের মোহরানা দিয়ে দাও।’ (সূরা: নিসা, আয়াত: ৪)

(২) বাসস্থান: নিরাপদ বাসস্থান বা নিরাপদ আবাসন। অর্থাৎ, স্বামী-স্ত্রী’কে থাকার জন্য এমন একটি ঘর বা কক্ষ দেবেন, যে ঘর বা কক্ষে স্ত্রী’র অনুমতি ছাড়া (স্বামী ব্যতীত) কেউই প্রবেশ করতে পারবেন না। এমনকি স্বামীর মা-বাবা, ভাই-বোনও না। স্ত্রী’র ব্যক্তিগত নিরাপত্তা ও গো’পনীয়তা রক্ষার স্বার্থে প্রয়োজনে এই ঘরে বা কক্ষে তিনি তালাচাবিও ব্যবহার করতে পারেন। স্ত্রী’র ব্যক্তিগত বা গো’পনীয় বিষয়ে স্বামী ছাড়া কেউই নাক গলাতে পারবেন না। স্ত্রী’র স্যুট’কেট, ট্রাঙ্ক ও আলমা’রি স্বামী ছাড়া কেউ তল্লা’শি করতে পারবেন না। কোনো স্ত্রী’র চলাফেরা বা আচার-আচরণ শ্বশুর-শাশুড়ির অ’পছন্দ হলে তাকে আলাদা বাড়ি বা ঘর করে দেওয়া উচিত। স্ত্রী’র ব্যবহৃত কাপড়চোপড় ধুয়ে দেওয়ার ব্যবস্থাও স্বামীকেই করতে হবে এবং স্ত্রী’র ফুত ফরমাশ ধ’রার জন্য একজন কাজের লোকও রাখবেন স্বামী। (শরহে বেকায়া, কিতাবুন নিকাহ)

(৩) স্ত্রী’র ভরন পোষণ: সাম’র্থ্য ও প্রচলিত প্রথা অনুযায়ী স্ত্রী’র ভরন-পোষণ করা স্বামীর কর্তব্য। স্বামীর সাধ্য ও স্ত্রী’র চাহিদার ভিত্তিতে এ ভরন-পোষণ কম বেশি হতে পারে। অনুরূপ ভাবে সময় ও স্থান ভেদে এর মাঝে তারতম্য হতে পারে।মহান আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কোরআন মাজীদে বলেন, ‘বিত্তশালী স্বীয় বিত্তানুযায়ী ব্যয় করবে। আর যে সীমিত সম্পদের মালিক সে আল্লাহ প্রদত্ত সীমিত সম্পদ হতেই ব্যয় করবে। আল্লাহ যাকে যে পরিমাণ দিয়েছেন, তারচেয়ে’ বেশি ব্যয় করার আদেশ কাউকে প্রদান করেন না।’ (সূরা: তালাক, আয়াত: ৭)

(৪) স্ত্রী’র প্রতি স্নেহশীল ও দয়ালু থাকা: স্ত্রী’র প্রতি রূঢ় আচরণ না করা। তার সহনীয় ভুল সমূহকে ক্ষমা করে ধৈর্যধারণ করা। স্বামী হিসেবে সকলের জানা উচিত, নারীরা ম’র্যাদার সম্ভাব্য সবকটি আসনে অধিষ্ঠিত হলেও, পরিপূর্ণ রূপে সংশোধিত হওয়া সম্ভব নয়।

রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন যে, ‘তোম’রা নারীদের ব্যাপারে কল্যাণকামী হও। কারণ, তারা পাঁজরের হাড় দ্বারা সৃষ্ট। পাঁজরের ওপরের হাড়টি সবচেয়ে বেশি বাঁকা।’ (যে হাড় দিয়ে নারীদের সৃষ্টি করা হয়েছে) তুমি একে সোজা করতে চাইলে, ভেঙে ফেলবে। আবার এ অবস্থায় রেখে দিলে, বাঁকা হয়েই থাকবে। তাই তোম’রা তাদের কল্যাণকামী হও, এবং তাদের ব্যাপারে সৎ-উপদেশ গ্রহণ কর।’ (সহীহ বুখারি)

(৫) স্ত্রী’র প্রতি যত্নশীল ও সতর্ক হওয়া: হাতে ধরে ধরে তাদেরকে হেফাজত ও সুপথে পরিচালিত করা। কারণ, তারা সৃষ্টিগতভাবে দুর্বল, স্বামীর যেকোনো উদাসীনতায় নিজেরাও ক্ষতিগ্রস্ত হবে, অ’পরকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে। এ কারণে রাসূল (সা.) নারীর ফেতনা হতে খুব যত্ন সহকারে সতর্ক করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘আমা’র অবর্তমানে পুরুষদের জন্য নারীদের চেয়ে বেশি ক্ষতিকর কোনো ফেতনা রেখে আসিনি।’ (সহীহ বুখারী,হাদীস নং: ৪৭০৬)

(৬) স্ত্রী’র প্রতি আত্মম’র্যাদাশীল হওয়া: স্ত্রী’লোকদের ব্যাপারে আত্মম্ভরিতার প্রতি লক্ষ্য করে রাসূল (সা.) বলেছেন যে, ‘তোম’রা সা’আদ এর আবেগ ও আত্মসম্মানবোধ দেখে আশ্চর্যান্বিত হচ্ছো । আমি তার চেয়ে বেশি আত্মসম্মানবোধ করি, আবার আল্লাহ আমা’র চেয়ে বেশি অহমিকা সম্পন্ন।’ (সহীহ মু’সলিম,হাদীস নং: ২৭৫৫)

শায়খুল ইস’লাম ইবনে তাইমিয়া (রহ.) বলেন, যার মাঝে আত্মম’র্যাদাবোধ নেই সে দাইয়ূছ (অসতী নারীর স্বামী, যে নিজ স্ত্রী’র অ’পকর্ম সহ্য করে)। হাদিসে এসেছে: ‘দাইয়ূছ জান্নাতে প্রবেশ করবে না।’ (দারামি: ৩৩৯৭)

উক্ত বিষয়গুলো ছাড়াও একজন স্বামীর ওপর স্ত্রী’র আরো কিছু হক বা অধিকার রয়েছে যেগুলো নিচে তুলে ধ’রা হলো:

১. সাম’র্থ্য অনুযায়ী ভরণ-পোষণ ও খরচাদি দিতে কোনো প্রকার অবহেলা না করা, ২. স্ত্রী’কে দ্বীনি মাসআলা-মাসায়েল শিক্ষা প্রদান করা, ৩. ভালো কাজের প্রতি উদ্ভূত করা,
৪. যাদের সঙ্গে দেখা দেয়ার ব্যাপারে ইস’লামের অনুমতি রয়েছে, তাদের সঙ্গে দেখা-সাক্ষাৎ করার সুযোগ প্রদান করা, ৫. আত্মীয়তার স’ম্পর্ক বজায় রাখার তাগিদ প্রদান করা,
৬. কোনো প্রকার ভুল বা অসাবধানতা হলে ধৈর্য ধারণ করা, ৭. শাসন ও সংশোধনের ক্ষেত্রে ভারসাম্য বজায় রাখা, ৮. মহর আদায় করা, ৯. ইস’লামি শরিয়তের সীমা’র মধ্যে থেকে স্ত্রী’র মন জয় করা, ১০. একাধিক স্ত্রী’ থাকলে তাদের মধ্যে সমতা বজায় রাখা,
১১. নি’র্যাতন না করা, ইত্যাদি ।

পরিশেষে বলা যায় যে, স্ত্রী’ হলেন সহধ’র্মিণী, অর্ধাঙ্গিনী, সন্তানের জননী; তাই স্ত্রী’ সম্মানের পাত্রী। স্ত্রী’র রয়েছে বহুমাত্রিক অধিকার; সঙ্গে সঙ্গে রয়েছে কিছু দায়িত্ব ও কর্তব্য। যদি স্বামী ও স্ত্রী’ উভয়ে এবং উভয়ের পরিবার প্রত্যেকে নিজ নিজ অধিকারের সীমানা ও কর্তব্যের পরিধি জেনে তা চর্চা করে তাহলে তা সংসারের জন্য মঙ্গলজনক হবে।

Posted in international

ষাঁড়ের পেটে স্বর্ণ, মলত্যাগ না করায় বিপাকে পরিবার

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের সিরসা জেলার গ্রামে জনকরাজ নামের এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে ঘটনা ঘটেছে এক অদ্ভুত ঘটনা। রান্নাঘরে কাজ করার সময় বাড়ির মালিকের পুত্রবধূ ও স্ত্রী নিজেদের কানের দুল খুলে রেখেছিলেন। ব্যস্ততার মধ্যে আর খেয়াল করেন নি যে ময়লা ফেলার পাত্রেই দুল রেখেছেন।

একটুপরে একটি বেওয়ারিশ ষাঁড় ঘুরতে ঘুরতে ওখানে এলে ঐ পাত্রে থাকা ফেলে দেয়া সবজি ষাঁড়টিকে খেতে দেয়া হয়। খাবারের সাথে ষাঁড়টি স্বর্ণের দুইটি দুলও খেয়ে ফেলে। ঘটনা বোঝার পর থেকে পরিবারটি ষাঁড়টিকে একটানা খাবার খাইয়ে চলেছে যাতে গোবরের সাথে দুল দুইটি বের হয়ে আসে। কিন্তু গত তিনদিন ধরে ষাঁড়টি মলত্যাগই করে নি।

এ ঘটনার পর জেলার লাজপত রায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণী বিজ্ঞানের ডিরেক্টর রবিন্দর শর্মা বলেন, আগে এক্স-রে করে দেখতে হবে ষাঁড়ের পেটে স্বর্ণ আছে কি না। তারপর অপারেশন করে তা উদ্ধার করতে হবে।

Posted in national

ইলিশের সর্বনিম্ন দাম, বেশিরভাগের পেটে ডিম

টানা ২২ দিনের সরকারি নিষেধাজ্ঞা শেষে সরগরম দক্ষিণের সর্ববৃহৎ বরিশালের পোর্টরোড ইলিশ মোকাম। নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ার ১৬ ঘণ্টার মধ্যে ৩ হাজার মণেরও বেশি ইলিশ এসেছে এই আড়তে। তবে আড়তে আসা বেশিরভাগ ইলিশের পেটেই ডিম। নিষেধাজ্ঞার সময় আরও কয়েকদিন পিছিয়ে দিলে জেলেদের জালে ধরা পড়া ইলিশ নদী কিংবা সাগরে ডিম ছাড়ার সুযোগ পেতে বলে মনে করেন মৎস্যজীবীরা।

এদিকে, সরবরাহ বেড়ে যাওয়ায় বরিশালের পাইকারি মোকামে বৃহস্পতিবার প্রথম দিনে পানির দরে বিক্রি হয়েছে রূপালি ইলিশ। কেজি সাইজের একমণ ইলিশ বিক্রি হয়েছে সর্বোচ্চ ২৮ হাজার টাকায়। গত দেড় বছরের মধ্যে এত কম দামে ইলিশ পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন জেলা মৎস্য আড়তদার এসোসিয়েশেনের সাধারন সম্পাদক নিরব হোসেন টুটুল। তবে তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে ডিমওয়ালা ইলিশের প্রজনন নিরাপদ করতে যথা সময়েই নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছিলো বলে জানিয়েছেন বরিশালের ইলিশ বিশেষজ্ঞ ড. বিমল চন্দ্র দাস।

নদ-নদী-সাগরে সারা বছরই ডিম ছাড়ে ইলিশ। তবে আশ্বিনের ভরা পূর্ণিমার আগে ও পরের সমটায় ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুম হিসেবে চিহ্নিত করে মৎস্য বিভাগ। ইলিশের উৎপাদন বাড়াতে প্রধান প্রজনন মৌসুমে ইলিশের প্রজনন নিরাপদ করতে সরকার দেশের ৭ হাজার কিলোমিটার জলসিমায় এবং সাগরে গত ৯ অক্টোবর থেকে ৩০ অক্টোবর মধ্য রাত পর্যন্ত সকল ধরনের মাছ শিকারে নিষেধাজ্ঞা জারি করে। নিষেধাজ্ঞাকালীন ফাঁক-ফোকর গলে অসাধু জেলেসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অভ্যন্তরীন নদ-নীতে কিছু মাছ শিকার করে। ২২দিনের নিষেধাজ্ঞাকালে মৎস্য বিভাগ ৮৫২টি অভিযান চালিয়ে ৬.০২৯ মেট্রিক টন ইলিশ এবং ২৩.২৭৩ লাখ মিটার কারেন্ট জালসহ ৫৩৩ জন আটক করে। এই সময়ে ২৬১টি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ৭৯৫টি মামলা দায়েরসহ ৫৩৩জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড এবং ২০ লাখ ৩শ’৭৫ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

Posted in national

সেফহোমে যাচ্ছে শিকলে বাঁধা শ্রীদেবীর সেই শিশুকন্যা

নারায়ণগঞ্জের লঞ্চ টার্মিনাল ঘাটে শিকল দিয়ে বেঁধে রাখা শিশুটি ও তার মাকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।

তাদের গাজীপুরের নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে (সেফহোম) পাঠানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।

বৃহস্পতিবার বিকালে যুগান্তর অনলাইনে প্রতিবেদন প্রকাশ হওয়ার পর বিষয়টি নজরে আসে প্রশাসনের কর্মকর্তাদের। তাদের নির্দেশে ওই শিশু ও তার মা শ্রীদেবীকে উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ব্যাপারে সদর মডেল থানার ওসি আসাদুজ্জামান যুগান্তরকে বলেন, সংবাদের পর আমরা পুলিশ সুপারের নির্দেশে দ্রুত শিশু ও তার মাকে উদ্ধার করি। ওই নারীর কথাবার্তা অসংলগ্ন মনে হলে এবং কোনো নাম-ঠিকানা না বলতে পারায় চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের মাধ্যমে তাকে গাজীপুরের নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে পাঠানোর আবেদন করা হয়েছে।

নারায়ণগঞ্জ কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক (সদর) আসাদুজ্জামান বলেন, নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় এ ব্যাপারে একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। আদালতে সেফহোমে পাঠানোর একটি আবেদনের কপি পেয়েছি, আদালতের আদেশ এখনও হাতে পাইনি। আদেশ পেলেই তাদের পাঠিয়ে দেয়া হবে।

এ দিকে শিশুটির মা নিজের নাম শ্রীদেবী বলে দাবি করেন এবং সন্তানটি তার বলেও জানান। যদিও তার বাবা কে সেটি তিনি জানাতে পারেননি।

ওই নারীর কথাবার্তাও কিছুটা অসংলগ্ন মনে হচ্ছিল। নিজের সন্তানটি মেয়ে জানিয়ে একেক সময় তার একেক নাম বলেন তিনি।

নিজে মাজারে ঘোরেন ও এদিক-সেদিক কাজ করে টাকা কামান আর সেই কাজে যাওয়ার সময় সন্তানকে শিকল দিয়ে বেঁধে রাখেন বলেন জানান শ্রীদেবী। বর্তমানে শিশুটি ও তার মা রয়েছেন কোর্ট পুলিশের হেফাজতে আছে বলে জানা গেছে।

নারায়ণগঞ্জ কেন্দ্রীয় নদীবন্দর টার্মিনালের চলাচলের জেটির পাশে শিকল দিয়ে বাঁধা ওই ছোট্ট শিশুকে দেখেন নদীপথে মুন্সিগঞ্জ ও বিভিন্ন জেলা থেকে আসা মানুষ। কেউ কেউ কৌতূহলে ছবি তুলেন। কিন্তু কেউ জানেন না কেন শিশুটির এই পরিণতি।

সরজমিনে গিয়ে জানা গেছে, নিজের সন্তানকে রেখে কাজে যান তার মা। ক্লান্ত শরীরে বা বৈরী আবহাওয়া সব কিছুকেই সহ্য করে মানিয়ে নিতে হয় এ বাচ্চাটিকে। বুধবার এই একটি ছবি পাওয়া যায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে। ছবির সত্যতাও পাওয়া যায় টার্মিনাল ঘাটে গিয়ে।

সেখানে গিয়ে দেখা যায়, একটি ছেলেকে তার মা শিকল দিয়ে বেঁধে কাজে চলে গেছেন। সেখানে অস্থায়ী কয়েক দোকানি জানান, মূলত ছেলে যেন হারিয়ে না যায় বা কোথাও না যায় সে জন্যই মা এ কাজ করেন। আবার অনেকে ভিক্ষা করতে বিভিন্ন স্থান থেকে শহরে আসেন তখন তাদের সন্তানকেও এখানে বেধে রেখে যান।

টার্মিনাল ঘাটের অস্থায়ী আচার বিক্রেতা রবিউল জানান, এরকম দৃশ্য তিনি মাঝে মাঝেই দেখেন। অনেক সময় রাত অবধি এভাবেই বাধা থাকে শিশুটি। মূলত মা সঙ্গে করে বাচ্চাকে এনে এখানে বেঁধে তারপর কাজ করে আবার যাবার সময় নিয়ে যায়। তবে কখন বাঁধেন আর কখন খোলেন সেটি অনেক সময় দেখেন না তারা। হুটহাট বেধে চলে যান। রবিউলের কথার প্রমাণও পাওয়া যায়।

Posted in national

হাকীমপুরীসহ ২২ জর্দা-খয়েরে বিষাক্ত কেমিক্যাল

যারা পানের সঙ্গে জর্দা, খয়ের ও গুল খান তাদের জন্য রয়েছে দুঃসংবাদ। বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ (বিএফএসএ) এর একটি পরীক্ষায় হাকীমপুরী, শাহজাদী ও রতন জর্দাসহ দেশের ২২টি জর্দা গুল ও খয়েরে ক্ষতিকর ভারী ধাতু লেড, ক্রোমিয়াম ও ক্যাডমিয়ামের মতো পদার্থ পাওয়া গেছে।

বিএফএসএ আরও জানায়, ১৩ প্রতিষ্ঠানের জর্দা, ছয় প্রতিষ্ঠানের খয়ের ও তিন প্রতিষ্ঠানের গুলের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। যার সবগুলোতে হেভি কেমিক্যাল লেড, ক্যাডমিয়াম, ক্রোমিয়াম এর অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার (৩১ অক্টোবর) একটি সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এসব কথা জানানো হয়।

নমুনা পরীক্ষা করা পণ্যগুলোর মধ্যে রয়েছে- গিলা খয়ের, তীর মার্কা খয়ের, মালাই খয়ের, অন্তরা খয়ের, কালো পাথর বাল্ক খয়ের, সাদা বাল্ক খয়ের, ইগল গুল, মোস্ফফা গুল, শাহজাদা গুল, রতন জর্দা, হাকীমপুরী জর্দা, গুরুদেব জর্দা শাহজাদি জর্দা (নির্মলের), মহিউদ্দিন জর্দা, হাকীমপুরী জর্দা, ঢাকা জর্দা, মকিমপুর জর্দা, শাহী হীরা জর্দা, জাফরানী জর্দা, শাহজাদী জর্দা (আলম), বউ শাহজাদী জর্দা এবং চাঁদপুরী জর্দা।

Posted in lifestyle

শুক্রবার দিনটি যেমন কাটবে আপনার

আজ আপনার জন্ম দিন হলে পাশ্চাত্য মতে আপনার রাশি বৃশ্চিক। আপনার ওপর প্রভাবকারী গ্রহ: রবি ও মঙ্গল। ১ তারিখে জম্ম হবার কারনে আপনার ওপর রবির প্রভাব প্রবল। আপনার শুভ সংখ্যাঃ ১,১০,১৯,২৮। আপনার শুভ বর্ণ: লাল ও কমলা। শুভ গ্রহ ও বার: রবি ও মঙ্গল। শুভ রত্ন: রুবী ও রক্তপ্রবাল।

আজকের দিনে জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ব্যক্তিরা হলেন: অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রায় বচ্চন, প্রখ্যাত জ্যোতিষী কিরো, মোয়াম্মার গাদ্দাফী, সাংবাদিক এবি এম মুসা, শিল্পপতী কাজী মাহতাব উদ্দীন প্রমুখ।

আজকের দিনের শুভ বর্ণ: আজ লাল ও কমলা বর্ণের পোশাক আপনার জন্য সৌভাগ্য বয়ে আনতে পারে।

আজকের দিনের শুভ সময়: জ্যোতিষ শাস্ত্রানুসারে শুভ মূহুর্ত হলো : সকাল: ৭:৪৯-১০:০১ দুপর: ১২:১৩-৩:০৮, বিকাল: ৩:৫৩-৫:২৫ ও রাত: ৬:১৩-৯:৪১, এর মধ্যে।

যে খাদ্য দ্রব্য পরিত্যাজ্য: জ্যোতিষ শাস্ত্র অনুসারে আজ বেল খাওয়া নিষেধ।

চন্দ্রাবস্থান: আজ চন্দ্র ধনু রাশিতে অবস্থান করবে। ৫মী তিথি শেষরাত: ৪:৩৪ পর্যন্ত পরে ৬ষ্ঠী তিথি চলবে।

মেষ রাশি (২১ মার্চ-২০ এপ্রিল): মেষ রাশির জাতক জাতিকার দিনটি শুভ সম্ভাবনাময়। বৈদেশিক পণ্যর ব্যবসায় ভালো আয়ের সুযোগ আসবে। ট্রাভেল এজেন্সী ও ট্যুরিজম ব্যবসায়ীদের কাজের যোগাযোগ বাড়তে পারে। ধর্মীয় ও আধ্যাত্মীক কাজের জন্য দূরের যাত্রার যোগ। বিশ্ব বিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় সাফল্য পাবেন। কোনো শিক্ষকের সাহায্য লাভ।

বৃষ রাশি (২১ এপ্রিল – ২০ মে): বৃষ রাশির জাতক জাতিকার দিনটি শুভাশুভ মিশ্র । বাড়িতে পুরোন পাওনাদারদের আগমন হবে। কোনো আত্মীয় বা বন্ধুর অসুস্থতার সংবাদ পেতে পারেন। আইনগত জটিলতা দাঙ্গা হাঙ্গামা থেকে সতর্ক হতে হবে। কিছু টাকা ঋণ করতে পারেন। খুচরা ও পাইকারী ব্যবসায় আশানুরুপ লাভের সম্ভাবনা নেই।

মিথুন রাশি (২১ মে – ২০ জুন): মিথুন রাশির জাতক জাতিকার জন্য দিনটি ভালো যাবে না। জীবন সাথীর জন্য কিছু ব্যয় এর যোগ রয়েছে। বন্ধের দিন হওয়াতে নিকট কোথাও বেড়াতে যাওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। ব্যবসায়ীদের আশানুরুপ লাভের সুযোগ কম। অবিবাহিতদের বিয়ের কথাবার্তায় অগ্রগতি হবে। জীবন সাথীর পরামর্শে উপকৃত হতে পারেন।

কর্কট রাশি (২১ জুন – ২০ জুলাই): কর্কট রাশির জাতক জাতিকার দিনটি ভালো যাবে না। রাস্তাঘাটে সতর্কতার সাথে চলাফেরা করা উচিত। গোপন শত্রুরা আপনার ক্ষতি করার চেষ্টা করেও ব্যার্থ হতে পারে। অণৈতিক সম্পর্কর ক্ষেত্রে জটিলতা বৃদ্ধির আশঙ্কা। মানসিক ভাবে কিছুটা অস্থির চঞ্চল থাকতে পারেন। ঠান্ডাজ্বর জনিত পীড়ায় ভোগান্তি।

সিংহ রাশি (২১জুলাই – ২১ আগষ্ট): সিংহ রাশির জাতক জাতিকার দিনটি শুভ সম্ভাবনাময়। বিদ্যার্থী ও পরীক্ষার্থীদের পড়াশোনার চাপ বাড়তে পারে। সৃজনশীল পেশাজীবীদের আয় রোজগার বৃদ্ধির যোগ। সন্তানের সাথে কোথাও বেড়াতে যেতে পারেন। রোমান্টিক যোগাযোগে সাফল্য আশা করা যায়।শিল্পী ও কলাকুশলীরা কোনো অনুষ্ঠানে অংশ নিতে পরেন।

কন্যা রাশি (২২ আগষ্ট – ২২ সেপ্টেম্বর): কন্যা রাশির জাতক জাতিকার দিনটি পারিবারিক ও সাংসারিক কাজে ব্যস্ততার দিন। বাড়িতে আত্মীয় স্বজনের আগমন হতে পারে। বাল্য বন্ধুর সাহায্য পেতে পারেন। ভূমি স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত আলোচনায় সাফল্য আশা করা যায়। গ্রামের বাড়িতে বেড়াতে যাওয়ার সুযোগ আসতে পারে। কোনো আত্মীয়র বিবাহের সম্ভাবনা।

তুলা রাশি (২৩ সেপ্টেম্বর – ২১ অক্টোবর): তুলা রাশির জাতক জাতিকার দিনটি শুভ সম্ভাবনাময়। বাড়িতে ছোট ভাই বোনের আগমন হবে। প্রতিবেশীর বাড়িতে আপ্যায়িত হতে পারেন। বিদেশ থেকে কোনো ভালো সংবাদ আশা করা যায় । সাংবাদিক ও মিডিয়াকর্মীদের দিনটি ভালো যাবে। অনলাইন ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীরা কিছু অর্থ লাভের সুযোগ পেতে পারেন।

বৃশ্চিক রাশি (২২ অক্টোবর – ২০ নভেম্বর): বৃশ্চিক রাশির জাতক জাতিকার দিনের শুরুতে খুচরা ও পাইকারী ব্যবসায় ভালো আয় রোজগারের যোগ। সঞ্চয়ে অগ্রগতি হবে। বকেয়া টাকা আদায় করতে পারবেন। হোটেল ও রেস্টুরেন্ট ব্যবসায়ীরা ভালো আয় বেচাকেনার সুযোগ পাবেন। কোনো সামাজিক অনুষ্ঠানে আপ্যায়ণের সম্ভাবনা। বাড়িতে কুটম্বদের আগমন হবে।

ধনু রাশি (২১ নভেম্বর – ২০ ডিসেম্বর): ধনু রাশির জাতক জাতিকার দিনটি মিশ্র সম্ভাবনাময়। সাংসারিক বিষয়ে মানসিক চাপ কমে আসবে। ব্যবসায়ীক ক্ষেত্রে কোনো বন্ধুর পরামর্শ পেতে পারেন। সামাজিক বা সাঙ্গঠনিক কোনো কাজের জন্য ব্যস্ত হতে পারেন। চাকরি সংক্রান্ত পরীক্ষায় সফল হওয়ার যোগ। শনি চন্দ্রর প্রভাবে শরীর কিছুটা দূর্বল হতে পারে। সিজেনাল অসুখে ভুগতে পারেন।

মকর রাশি (২১ ডিসেম্বর – ২০ জানুয়ারি): মকর রাশির জাতক জাতিকার দিনটি ব্যয় বহুল থাকবে। প্রবাসীদের দেশে আগমনের যোগ রয়েছে। রেন্টাকারের ব্যবসায়ীরা কিছু আয় রোজগার করতে পারবেন। ট্রান্সপোর্ট পরিবহন ব্যবসায় কিছু উটকো ঝামেলা দেখা দিতে পারে। বৈদেশিক বানিজ্যে কিছু সাফল্য আশা করা যায়। কোনো ঝামেলার সুষ্ট সমাধান হবার সম্ভাবনা।

কুম্ভ রাশি (২১ জানুয়ারি – ১৮ ফেব্রুয়ারি): কুম্ভ রাশির জাতক জাতিকার দিনটি ভালো যাবে। বড় ভাই বোনকে কিছু টাকা পাঠাতে হতে পারে। ব্যবসায়ীদের আয় রোজগার বৃদ্ধি পাবে। সাংসারিক কাজে জীবন সাথীর সাহায্য লাভ। বন্ধুদের সাথে কোনো সামাজিক বা দাতব্য কাজে অংশ নিতে পারেন। বেসরকারী চাকুরেদের আয় উন্নতির সুযোগ আসবে।

মীন রাশি (১৯ ফেব্রুয়ারি – ২০ মার্চ): মীন রাশির জাতক জাতিকার দিনটি ব্যস্ততার। কোনো গুরুত্বপূর্ণ নেতার সাথে আলাপ আলোচনা হতে পারে। প্রভাবশালী কর্মকর্তার কাছ থেকে সুবিধা পেতে পারেন। স্থানীয় সামাজি বা রাজনৈতিক কাজে অগ্রগতি হবে। সরকারী চাকরি সংক্রান্ত পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেন। পিতার কাছ থেকে অর্থ লাভের যোগ।

Posted in national

এজলাসেই বাদীর পা ধরে ক্ষমা চেয়ে জামিন পেলেন কাউন্সিলরপুত্র!

নারায়ণগঞ্জে ডিজিটাল নিরপত্তা আইনে দায়ের করা একটি মামলায় বাদীর পায়ে ধরে ক্ষমা চাওয়ার পর তারই জিম্মায় জামিন পেয়েছে বিবাদি।

বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আনিসুর রহমানের আদালতে বিচারিক কার্যক্রম চলাকালে ব্যতিক্রমী ও নাটকীয় এ ঘটনা ঘটে।

মামলার বাদী নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সভাপতি ও আইনজীবী মাহবুবুর রহমান মাসুম এবং বিবাদী ছিলেন নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলর আবদুল করিম বাবুর ছেলে এম আর কে রিগেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় জেলহাজতে আটক কাউন্সিলরপুত্র রিগেনের জামিনের আবেদনের শুনানির দিন ধার্য ছিল।

এ সময় বিচারক উভয়পক্ষের বক্তব্য শোনার পর অভিযুক্তের বয়স কম বিবেচনায় কাঠগড়া থেকে নেমে বাদীর পায়ে ধরে ক্ষমা চাওয়ার জন্য বলেন। আসামি কাঠগড়া থেকে বের হয়ে বাদীর পা ধরে ক্ষমা চান। আসামিপক্ষের আইনজীবীরাও ক্ষমা করে দিতে বাদীকে অনুরোধ করেন।

এ সময় বিচারক বলেন, শর্তসাপেক্ষে তাকে জামিন দেয়া যেতে পারে যদি আপনার (বাদী) আপত্তি না থাকে। তবে আপনার জিম্মায় তার জামিন হবে। পুনরায় যদি সে এ ধরনের আচরণ করে, বা আপনি যদি তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ করেন তাহলে সঙ্গে সঙ্গে তার জামিন বাতিল করা হবে।

মামলার বাদী মাহবুবুর রহমান মাসুম সাংবাদিকদের জানান, আমি যেহেতু মামলার বাদী। স্বভাবতই আমি জামিনের বিরুদ্ধে ছিলাম। কিন্তু কাঠগড়া থেকে বেরিয়ে আসামি আমার পায়ে ধরে ক্ষমা চায়। আমাদের জজ সাহেবও অনুরোধ করেন এবং আমার জিম্মায় তার জামিন দেন।

তিনি আরও বলেন, আমি একজন আইনজীবী, যখন আরও অন্য আইনজীবীরা এসে অনুরোধ করলেন, সম্মানিত জজ সাহেবও যখন বললেন, তখন আমাকে তা মেনে নিতে হয়েছে স্বাভাবিকভাবেই। তবে, এ বিষয়টি নজিরবিহীন যা ইতিপূর্বে ঘটেনি।

উল্লেখ্য, ১৪ অক্টোবর জেলা প্রশাসনের এক সভায় নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ১৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও মহানগর আওয়ামী লীগের কার্যকরী সদস্য আবদুল করিম বাবু ওরফে ডিশ বাবুকে একটি স্কুলের সভাপতি করার বিরোধিতা করে বক্তব্য দেন প্রেস ক্লাব সভাপতি মাসুম। ওই দিনই বাবুর ছেলে রিগেন তার ফেজবুক পেজে অ্যাডভোকেট মাসুমকে ‘রাজাকারপুত্র ও ব্যাংকের টাকা আত্মসাৎকারী’সহ আপত্তিকর ভাষায় আক্রমণ করে পোস্ট দেন।

১৫ অক্টোবর এ ব্যাপারে মামহবুবুর রহমান মাসুম বাদী হয়ে সদর মডেল থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দায়ের করলে ওইদিন রাতেই পুলিশ রিগেনকে গ্রেফতার করে।